দেড় বছর পর স্কুল-কলেজ খোলেন কিন্তু এখন কাটিনি মহামারী |
আসসালামুয়ালিকুম দর্শক শ্রোতা করণা মহামারীর কারণে দেড় বছর পর স্কুল-কলেজ করলেও এখনো কাটেনি প্রত্যেক দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের করণ আক্রান্ত হওয়ার খবর আসছে এখনো পর্যন্ত করণায় আক্রান্ত হয়েছে 84 শিক্ষার্থী এবং একজন শিক্ষক উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে এক শিক্ষার্থীর এমন পরিস্থিতিতে করণা উপসর্গ থাকলে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয় না পাঠানোর
অনুরোধ জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী উপমন্ত্রী দাবি করেছেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের করো না পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকা সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গত বুধবার রাজধানীর নাম হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে মানিকগঞ্জ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় অষ্টম শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রী ইসলামপন্থীরা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছিল পরে 58 সভাপতির করো না পরীক্ষা
করে নিতে পারতাম ট্রেন চালু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় জানাজায় আক্রান্তদের মধ্যে প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও তাদের বাচনভঙ্গি সদর উপজেলার জগন্নাথপুর নিউজ বাহাদুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তাদের মধ্যে তিনজন পঞ্চম শ্রেণীর এবং চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী প্রথমেই স্কুলের শিক্ষার্থী করণ আক্রান্ত হয় পরে তাদের সংস্পর্শে আসা শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা করালে প্যাকেজগুলো দুজন ছাড়া মাঝিপাড়া আদর্শ উচ্চ
বিদ্যালয়ের পাঠদান ও সোনালী সূর্য বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বরাবরের মতো করে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে দুই সপ্তাহের জন্য এসব স্কুলে পাঠদান বন্ধ রাখা হয় এছাড়া চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা হাসিমপুরের উদ্দিন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা সমাপ্ত হয়েছে কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ শহিদুল ইসলাম
জানিয়েছেন প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি সুনিশ্চিত করা হয়েছে গোপালগঞ্জে স্কুল শিক্ষার্থীদের উপর বিরাজে গোপালগঞ্জ পৌরসভা 2 নম্বর বীণাপাণি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পথচারী মোনালিসা ইসলামের শরিয়া করো না শনাক্ত হয়েছে এখন বন্ধ রয়েছে ওই বার্তায় কোটালীপাড়া উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আক্রান্ত হয়েছে করো নাই
করণা উপসর্গ থাকলে শিক্ষার্থীদের সূরা তাওবা তাদের অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডাক্তার দীপু মনি এবং তিনি বলেছেন আমাদের সবাইকে চোখ কান খোলা রাখতে হবে এবং কামরা অভিভাবকদের বলেছি পড়া শিক্ষার্থীর বিন্দু পরিমানও উপসর্গ যোগে তাকে তার বাড়িতে কারো উপসর্গ থাকে তাহলে শিক্ষার্থীকে স্কুলে পাঠানো যাবে না
No comments